টেকনাফ

পেয়াঁজের ঝাঁজ বাড়ছে মিয়ানমারেও

48views

লিখেছেন নুরুল হক, টেকনাফ::::

পেঁয়াজের ঝাঁজ বাড়ছে মিয়ানমারেও। সে তুলনায় বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাড়তি দাম কমতে শুরু করেছে।  এতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমে যাওয়ার আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা গেছে, শুরুতে সেদেশে পেয়াঁজের প্রতি টনের দাম ছিল ৪১০’শ ডলার।  তার থেকে বেড়ে এখন ৬শ ড্রলারে এসে দাড়িয়েছে।
এ সব বিষয় তুলে ধরে টেকনাফ স্থল বন্দরের আমদানি কারক এম এ হাশেম, যদু চন্দ্র দাশ ও শওকত আলম বলেন, মিয়ানমারে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম, দেশের বাজারে দাম কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চিন্তিত। বিষয়টি কতৃর্পক্ষের চিন্তা করা প্রয়োজন। তারা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যেভাবে পেয়াঁজের দাম নির্ধারন করছেন, এভাবে হলে পেয়াঁজ আমদানী কমে যাবার সম্ভবনা রয়েছে।
শুল্ক ষ্টেশন সুত্রে জানায়, বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থল বন্দরে ৮০৩ দশমিক ৭৯৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। খালাসকৃত পেয়াঁজ সমূহ  ট্রাক ভর্তি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে খালাসের অপেক্ষায় নাফ নদীতে আরো ৭৪২ দশমিক ৫২০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বুঝায় জাহাজ ও ট্রলার অপেক্ষায় রয়েছে। বন্দরে পর্যাপ্ত শ্রমিক ও অবকাঠামোর অভাবে এ সব পেয়াঁজ খালাস করা সম্ভব হচেছনা বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।
তবে চলতি মাসের তিন দিনে ১৯৫৮ দশমিক ২৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। এছাড়া গত সেপ্টেম্বর মাসে খালাস হয়েছে ৩৫৭৩ দশমিক ১৪১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী করা হয়। এত বিপুল পরিমান পেয়াঁজ আমদানী হলেও স্থানীয় বাজারে পেয়াঁজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসছেনা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এদিকে টেকনাফ বাজারে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেয়াঁজ ৮০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচেছ। সরকার পেয়াজের দাম কমিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ নিলেও তা কাজে আসছেনা। জেলায় বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনশীল রাখতে ভ্রাম্যান অভিযান পরিচালনা করলেও এখানে অভিযানের ছোয়া লাগেনি। বাজার গুলো মনিটরিং না করলে পেয়াঁজের দাম কমে আসার সম্ভবনা নেই বলে জানায় স্থানীয় লোকজন।
খুচরা কাচাঁ মালামাল বিক্রেতা মো. ফায়সাল বলেন, আমরা ৬৫ টাকায় পেঁয়াজের কিনে এনে ৭০ টাকা বিক্রি করছি। এর চেয়ে কম দামে বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে।
টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার ৮০৩ দশমিক ৭৯৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করে দেশের বিভিন্ন জায়াগায় পৌছে যাচ্ছে। পেয়াঁজের সংকট মোকাবেলায় আরো আমদানী বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করা হচেছ। তবে পেয়াঁজ দ্রুত খালাস করতে বন্দর কতৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।