1. monirabdullah83@gmail.com : admin2020 :
  2. editor@newsteknuf.com : News Teknuf : News Teknuf
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
টেকনাফে সহায় সম্বলহীন ২১ মৎস্যজীবির মাঝে অনুদান বিতরন সাতকানিয়া থানায় অলিয়াবাদের দিলদার ও পুরাতন পল্লান পাড়ার নুরুলসহ ৪জন গ্রেফতার অবশেষে পুলিশের হাতে মাদক কারবারি হাবিবা প্রকাশ খলিফা টেকনাফে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী টেকনাফে গৃহহীনদের মাঝে জমিসহ পাকা ঘর উপহার দিলেন ঊখিয়া ক্যাম্প থেকে ৭০ ভরি স্বর্ণলংকার ও দেশী- বিদেশী নগদ টাকাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক আমি স্বীকৃত দালাল কিংবা খুনি ও রাজাকারের সন্তান নই, একজন মুক্তিযোদ্ধার নাতি আমি স্বীকৃত দালাল কিংবা খুনি ও রাজাকারের সন্তান নই, একজন মুক্তিযোদ্ধার নাতি ইয়াবা পাচারকালে টমটম গাড়িসহ বড় হাবির পাড়ার শাকের ও কেফায়েত আটক টেকনাফ উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও রোহিঙ্গাজনগোষ্ঠী যৌথভাবে রোহিঙ্গা সাংস্কৃতিক স্মৃতি কেন্দ্র চালু

নিউজ টেকনাফ ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক*****

কক্সবাজারে- আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) রোহিঙ্গাজনগোষ্ঠী যৌথভাবে রোহিঙ্গা সাংস্কৃতিক স্মৃতি কেন্দ্র (আরসিএমসি) চালু করেছে। এটি একটি বহুমাত্রিক উদ্যোগ যা মাধ্যমে অনলাইনকমিউনিটির জন্য নতুন একটি মাধ্যম, ইন্টারক্টিভ গ্যালারী, ডিজিটালসংরক্ষণাগার, এবং ওয়েবভিত্তিক প্রদর্শনী উপস্থাপিত হবে। রোহিঙ্গাজনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যকে বিশদভাবে নথিভুক্ত সংরক্ষণের জন্য প্রথমউল্লেখযোগ্য প্রয়াসগুলো মধ্যে এটি অন্যতম।

কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বর্তমানে ১০ লাখের কাছাকাছি রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছেন যেখানে তাদের আশ্রয়ের জন্য প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় কিন্তু তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশের মাধ্যম সীমিতআরসিএমসি আইওএম-এর অনুশীলনকারী এবং মানসিকস্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে আর্ট থেরাপি, সুরক্ষা এবং দক্ষতা বিকাশেরকার্যক্রমের মাধ্যমে মনোসামাজিক সহায়তা সরবরাহ করছে।

মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীসংস্কৃতিচর্চা এবং নিদর্শনগুলো ২০১৯ সালে কক্সবাজারে আইওএমগবেষকরা সংগ্রহ এবং নথিভুক্ত করার কাজ শুরু করেছিলেন। এই আরসিএমসি শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসরত রোহিঙ্গা শরণার্থীশিল্পীদের দ্বারা গবেষণা করা এবং ৎপাদিত সংস্কৃতি নিদর্শন এবংশিল্পকর্মের একটি বিস্তৃত সংগ্রহের মাধ্যমে রোহিঙ্গা মানুষের গল্পউপস্থাপন করছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে রোহিঙ্গা পরিচয়ের নৃতাত্ত্বিক চিত্র, কর্মকাণ্ড-গুলোর বিশদ বর্ণনা তৈরি করেছে

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের জীবনের গল্প বলার জন্য সরঞ্জামাদি এবংসুযোগ সরবরাহ করে আরসিএমসি আবিষ্কার করে যে শরণার্থীদেরতিনচতুর্থাংশ দ্বারা বর্ণিত পরিচয় সংকটতাদের ভালভাবে থাকার অন্যতম অন্তরায়। আরসিএমসি একটি বাহন হিসাবে কাজ করার চেষ্টাকরছে যা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধ সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বর্ধিতকরছে, তাদের সম্মিলিত পরিচয়কে শক্তিশালীকরণে অবদান রাখছে।

আরসিএমসি-এর একজন গবেষক এবং কবি শাহিদা উইন বলেনঃ “এই কেন্দ্রটি আমাদের রোহিঙ্গা সংস্কৃতি এবংতিহ্য ধরে রাখতে একটিসুযোগ করে দিয়েছে। এটি আমাদের সৃজনশীলতা, আকাঙ্ক্ষাগুলো, স্মৃতি এবং অনুভূতিগুলো আমাদের নিজস্ব চারু ও কারুকলার মাধ্যমেপ্রকাশ করার সুযোগ দিয়েছে।“

সংগ্রহশালাটি একটি সংস্কৃতির প্রতিকৃতি যা তার অতীত, বর্তমান এবংভবিষ্যতের প্রতিফলন করে, তিহ্য এবং উদ্ভাবন, কল্পনা এবং স্মৃতি, স্থানচ্যুতি এবং নিজস্বতা গুলোর মধ্যে অস্থিরতার সন্ধান করেএটিতিহ্যবাহী স্থাপত্য মডেল থেকে সূচিকর্ম, মৃৎশিল্প, ঝুড়ি, কাঠের কাজ, ভিজ্যুয়াল আর্টস, সংগীত, গল্প, কবিতা এবং আরও অনেকগুলো স্পর্শনীয় ও অস্পর্শনীয় ঐতিহ্য সামগ্রীর সম্মিলন রেছে।

আইওএম-এর বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান ম্যানুয়েল মার্কেস পেরেইরা বলেনঃ “আরসিএমসির ওয়েবসাইটটি রোহিঙ্গা জনগণকেতাদের গল্পগুলো বিশ্বব্যাপী দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিতে এবংরোহিঙ্গা প্রবাসীদের সাথে সংযুক্ত করার জন্য একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। রোহিঙ্গা তিহ্য এবং জনগণের সৌন্দর্য জটিলতা প্রদর্শন করেকেন্দ্রটির লক্ষ্য এই সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন এবং ভবিষ্যতের প্রজন্মেরজন্য তাদের সাংস্কৃতিক তিহ্যের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা।“

আরসিএমসি সংগ্রহশালাটি আপাতত কেবল অনলাইনে অভিগম্য, তবে আইওএম একটি সমন্বিত বহুমুখী হল নির্মাণকাজের পরিকল্পনাচূড়ান্ত করতে চাচ্ছে। এই স্থাপনায় প্রদর্শনী এবং কর্মশালার স্থানঅন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এট পুরোপুরি পরিচালনাকরবে

যখন শরণার্থী শিবিরে সংস্কৃতি হলটি তৈরি হবে তখন রোহিঙ্গা জীবনেরবিভিন্ন ক্ষেত্রের ইন্টারক্টিভ প্রদর্শনী, রোহিঙ্গাওয়াকথ্রুঅভিজ্ঞতাইত্যাদি চাক্ষুষ দেখার সুযোগ হবে। এই প্রকল্পের মূল উপাদান সাংস্কৃতিকহলটি রোহিঙ্গাদের নতুন পুরাতন প্রজন্মের জন্য সংস্কৃতি তিহ্যেরউপর একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে

আরসিএমসি কার্যক্রমে জড়িত সমস্ত কারিগর এবং গবেষকরা তাদেরকাজের জন্য যথাযথ স্বীকৃতি এবং লেখক-স্বত্ত্ব পান। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রের শিল্পীরা ঘরে বসেই তাদের নতুন কারুকর্ম উদ্ভাবন করে এবংনতুন দক্ষতা বিকাশের সুযোগের প্রক্রিয়া এবং উপকরণ অন্বেষণ করতেপারেন। আরসিএমসি এবং এর শিক্ষামূলক কর্মসূচী পরিচালনার জন্যএকটি নিবেদিত রোহিঙ্গা দল প্রশিক্ষিত হচ্ছে

আরসিএমসি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে আইওএম-এর সাথে যৌথভাবে অবদান রেখেছে বাংলাদেশ সরকার। এই প্রকল্পে সহায়তে করেছে সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী (সিআইডিএ), কানাডার পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভাগ, ট্রেড এন্ড ডেভলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট(ডিএফএটিডি), দ্যা ফরেন, কমনওয়েলথ এন্ড ডেভলপমেন্ট অফিস(এফসিডিও), সুইস এজেন্সি ফর ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন(এসডিসি), এবং নেদারল্যান্ড-এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Newsteknaf
Theme Developed BY ThemesBazar.Com